অশুভ গলির তিন প্রেত­ [শেষ অংশ]

0

cc1e7e9e5fc911df9a61000b2f3ed30f

আমি বললাম, আমি …আমি … আমার নাম সৈয়দ এনামুল হক। আমি … মানে আমি ওয়াহেদের বন্ধু। আমরা একসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম। বলতে বলতে উঠে দাঁড়ালাম।
সেই কালো বেড়ালটাকে কোথাও দেখলামনা। ওটা গেল কোথায় ? আশ্চর্য!
অ। বৃদ্ধ কিছুক্ষণ আমার মুখে দিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর বললেন, হ। এইবার বুঝলাম। আমার নাম হইল মোশাররফ হোসেন। ওয়াহেদে হইল গিয়াআমার চাচতো ভাইয়ের একমাত্র পোলা।তয় সুবহান ভাইয়ে মইরা গেলে পর আমি তার ফার্মেসিতে বসতাম। পরে ওয়াহেদের বোইনে বিদেশ থন আইসা দুকান বিক্রি কইরা দিল। আমি বুড়া মানুষ। আমি কই যামু বাবা কও। তখন শিউলীর হাতেপায়ে … সম্পূর্ন পোস্ট

অশুভ গলির তিন প্রেত­ [২য় অংশ]

0

ওয়াহেদ যদি এ দিকেই কোথাও দেড়-দুই কাঠার ওপর নিষ্কন্ঠক জমির খোজ দিতে পারে তো ভালো হয়। হাউজ বিল্ডিংয়ের লোন নিয়ে একটা বাড়ির কাজে হাত দেব। ফ্ল্যাটের এখন যা চড়া দাম। এদিকে নিজের একটা বাড়ির জন্য আমার বউ সঞ্চিতা বড় উতলা হয়ে উঠেছে।

সেই খালি রিকশাটা ওয়াহেদদের বাড়ির সামনে থেমে আছে। রিকশায় একটা মাঝবয়েসি লোক উঠল। মনে হল লোকটা ওয়াহেদদের বাড়ি থেকেই বেড়িয়ে এসেছ । কালো রঙের বেশ থলথলে শরীর। পরনে কালো প্যান্ট আর হলদে রঙের হাফ হাতা শার্ট। ফোলা ফোলা গোলগাল মুখে দাড়ি। চোখে সোনালি ফ্রেমের চশমা। লোকটাকে কেমন চেনা … সম্পূর্ন পোস্ট

অশুভ গলির তিন প্রেত­ [১ম অংশ]

5

 

নন্দীপাড়ার সরু রাস্তা ধরে হাঁটছিলাম। শুক্কুরবার সকাল। মেঘহীন উজ্জ্বল দিন। ঢাকা শহরের এ দিকটা বেশ ঘিঞ্জি। অনেকদিন এদিকটায় আমার আসা হয় নি। নন্দীপাড়ায় এসেছিলাম জমি দেখতে। আমার জমি পছন্দ হয়নি। তাছাড়া নিষ্কন্ঠক বলে মনে হল না। আমি ব্যাঙ্কে চাকরি করি। জাল কাগজপত্র সহজে ধরতে পারি। দালালের সঙ্গে কিছুক্ষণ চোটপাট করে এখন রাগের মাথায় বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।

হঠাৎ আমার মনে পড়ে গেল- এদিকেই তো আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বন্ধু ওয়াহেদরা থাকত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ওয়াহেদের সঙ্গেই দু-একবার ওদের নন্দীপাড়ার বাড়িতে এসেছিলাম ।যদিও ওয়াহেদ-এর সঙ্গে বহু বছর যোগাযোগ নেই। আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের … সম্পূর্ন পোস্ট

ঝাউদীঘির আতঙ্ক [শেষ অংশ]

1

কক্ষের বিশাল জানালা দিয়ে হু হ করে চৈত্ররাতের বাতাস ঢুকলেও আমার ভীষণ গরম লাগছিল। পায়জামা পরে খালি গায়েই ছিলাম। বেশি গরম লাগলে নীচে নেমে দীঘির জলে সাঁতার কেটে আসব বলে ঠিক করলাম।
লিখলাম … প্রাথমিক ভাবে আমার ইনামগড়ের জমিদারবাড়ির এরিয়া প্রায় ছয় একর বলে মনে হয়েছে। অবশ্য কম হতে পারে আবার বেশিও হতে পারে। সবচে উল্লেখযোগ্য যেটা, লেবুবাগানে বৌদ্ধদেবী তারার একটি ছোট্ট মন্দির রয়েছে।মন্দিরটি সন্দেহ নেই পাল আমলের নির্মিত। কাজেই প্রায় হাজার বছরের পুরনো হওয়ার কথা। এটা একটা অনন্য ডিসকভারীই বলা যায়। তবে কিছু প্রশ্ন জাগে …
টাইপ করতে করতে … সম্পূর্ন পোস্ট

ঝাউদীঘির আতঙ্ক [২য় অংশ]

1

 

সবাই বলে জমিদার হেমেন্দুবিকাশ রায়চৌধুরী নাকি ঝাউদীঘির জল থেকে কয়েক শ মানুষ ভেসে উঠতে দেখেছিলেন। মানুষগুলির পরনে ছেঁড়া লুঙ্গি আর গেঞ্জি; এক হাতেকোদাল, অন্য হাতে টুকরি।

বলেন কী!

হ্যাঁ। ইনামগড়ের লোকে বলে জমিদার হেমেন্দুবিকাশ রায়চৌধুরী ঝাউদীঘি থেকে মৃত মাটি-কাটিয়ে মজুরদের উঠে আসতে দেখেই মারা গেছেন।

কথাটা আমার কেন যেন ঠিক বিশ্বাস হল না। আমি ঠান্ডা মাথায় পুরো ব্যাপারটা ভাবলাম।

(১) জমিদার হেমেন্দুবিকাশ রায়চৌধুরীর মৃত্যুর অন্য কোনও কারণ থাকতে পারে। হয়তো হার্ট অ্যাটাক করেছিল। সেই আমলের মানুষ আজকের দিনের মতো এত স্বাস্থসচেতন ছিল কি? আর ডাক্তারি বিদ্যের জোর তো তথইবচ… সম্পূর্ন পোস্ট

ঝাউদীঘির আতঙ্ক [১ম অংশ]

1

স্টেশনমাস্টারের কথায় রীতিমতো চমকে উঠলাম। ইনামগড়ের রায় চৌধুরীদের জমিদার বাড়িটি নাকি অভিশপ্ত। রাতের বেলা তো দূরের কথা স্থানীয় লোকজন দিনের বেলাও নাকি ওদিকে ঘেঁষে না। আমি খানিকটা বিমূঢ় বোধ করলাম। কারণ একটু পরই আমার রায়চৌধুরীদের জমিদারবাড়ি তে যাওয়ার কথা। আমি স্টেশনমাস্টারের মুখের দিকে তাকালাম। মাঝবয়েসি ভদ্রলোক । শিক্ষিত, ভদ্র চেহারা। এমন মানুষের তো কাউকে মিছিমিছি ভয় দেখানোর কথা না। আমি যদিও অভিশপ্ত ভুতুরে হানাবাড়িতে বিশ্বাস করি না। তাই সদ্য পরিচিত ভদ্রলোকের সামনে ভদ্রতা করেই চুপ করে রইলাম। স্টেশনমাস্টার চা খেতে দিয়েছেন। তাতেই চুমুক দিলাম।
স্টেশনমাস্টার রফিক উদ্দীন সরকারের মাথায় মস্ত … সম্পূর্ন পোস্ট