Werewolf বা মায়া নেকড়ে সম্পর্কে আপনি কি জানেন ?

0

Werewolf “ শব্দটি প্রাচীন ইংরেজি শব্দ werewolf থেকে এসেছে । এর প্রথমাংশটি সাধারণত প্রাচীন ইংরেজি শব্দ “wer” হিসেবে শনাক্ত করা গেছে , যার অর্থ দাড়ায় “man” বা মানব ! আর wolf অংশটি “wolf” বা

নেকড়ে এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা । এর বাংলা সহজ অর্থ “নেকড়ে মানব” দাঁড়ালেও , “মায়া নেকড়ে” শব্দটি ‘সুন্দর’ হওয়ার কারনে বাংলা সাহিত্যিকরা এটাকেই বেছে নিয়েছেন ।মায়া নেকড়ে রূপকথার ভুবনে খুবই জনপ্রিয় , প্রায় সকল নেকড়ে অধ্যুষিত এলাকায় এর প্রচলন রয়েছে । আমাদের দেশে নেকড়ে থাকলে আমরাও হয়ত ছোট বেলায় এর গল্প শুনতে পেতাম । এই রূপকথার প্রচলন হয়েছে মুলত ইউরোপে । মায়া নেকড়ে বলতে বুঝায় এমন একজন ব্যক্তিকে , যে রাতের বেলায় নেকড়ে তে পরিনত হয় এবং মানুষ , জীব-জন্তু হত্যা করে বা মৃতদেহ ভক্ষন করে , আবার দিনের বেলায় মানুষ রূপ ধারন করে । ধারনা করা হয় কিছু মায়া নেকড়েরা তাদের ইচ্ছামতো তাদের রূপ পরিবরতন করতে পারে । এছাড়া মায়া নেকড়েরা কাউকে আঁচড় বা কামড় দিলে সেই ব্যক্তিও মায়া নেকড়েতে পরিনত হয়ে যাবে ! বংশানুক্রমেও বা ‘উত্তরাধিকারসূত্রে’ ও কেউ মায়া নেকড়ে হতে পারে । উপরিউক্ত দুইটি ক্ষেত্রে ( উত্তরাধিকারসূত্রে ও আঘাত প্রাপ্ত) ‘আক্রান্ত’ ব্যক্তি শুধুমাত্র পূর্ণ চাঁদের আলো বা জোৎস্নার সময় নেকড়ে রূপ ধারন করবে ! চাঁদের আলো যতক্ষণ থাকবে , সে ততক্ষন মায়া নেকড়ে থাকবে । সে মায়া নেকড়ে হবে নিজের অজান্তেই এবং মানুষ রূপ ফিরে পাবার পর সে রাতের ঘটনা ভুলে যাবে ! মায়া নেকড়েকে মেরে ফেললে সে আবার তার আগের রূপে (মানুষ রূপে ) ফিরে যাবে এবং তার দেহে তখন আঘাতের কোন চিহ্নই থাকবে না !
আমেরিকার বুনো পশ্চিমে অনেক Rancher রা দাবি করেন তারা মায়া নেকড়েকে তাদের গবাদি পশুকে হত্যা করতে দেখেছেন ! কেউ কেউ আবার গুলি খেয়ে আহত মায়া নেকড়ের পালিয়ে যাবার কথাও শুনিয়েছেন । তবে বাস্তব প্রমান এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।মায়া নেকড়েতে বিশ্বাস প্রায় সারা পৃথিবীতেই আছে সেই প্রাচীন কাল থেকে । তবে এই ধারনা ষোড়শ শতাব্দিতে ফ্রান্সে গেড়ে বসে ।
এমনকি এমন মানুষও আছে যারা নিজেদেরকে নেকড়ে হিসেবে ভাবে ! তাদের এই অবস্থাকে মানসিক ভারসাম্যহীনতা ধরে নেওয়া হয় , এবং একে lycanthropy বলে । lycanthropy শব্দের উদ্ভব আধুনিক ল্যাটিন lycanthropia থেকে যা এসেছে গ্রীক lukathropia থেকে , এর অর্থ ‘lukos’ বা wolf + ‘anthropos’ বা ‘man’ .পোস্টটি লিখেছেনঃ Masud Shihab

ভয়ংকর ভুতুরে ছবি

1

দুর্বল মনের মানুষ দয়া করে এ ছবি গুলো দেখবেন না, যে কোন সময় হার্ট এটাক হতে পারে । 😉

যারা ভুতকে ভয় পায় না তাদের জন্য এই ছবির প্রদর্শণী । যার যে ছবি টা ভালো লাগে, কমেন্টস এ লিখুন, আর কোন ছবি টা দেখে সব চাইতে বেশি ভয় পেয়ছেন তা লিখতে ভুলবেন না যেন । তো দেখতে থাকুন সব ভয়ংকর ভুতুরে ছবি ।

বি:দ্র: ভয় না পেলেও দয়া করে জানাবেন !

“প্রতিটি ছবিই চলমান(এনিমেটেট .জিআইএফ ফরমেটে) তাই ছবিতে ক্লিক করে দেখলে ভালো করে দেখতে পারবেন । যেকোন ছবিতে ক্লিক করলে তা বড় আকারে প্রদর্শিত হবে আর পরবর্তী ছবি দেখার জন্য শুধু বর্তমান ছবির উপর ক্লিক করলেই হবে ।”

তিনি (???!!!) দূর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচালেন যেভাবে. . . . . . .(ভৌতিক কাহীনি)১ম পর্ব

0

কয়েকদিন থেকে নানা ব্যস্ততার কারনে ঘটনাটি শেয়ার করতে পারিনি । তো যাই হোক, আমার বাড়ী থেকে দক্ষিনপূর্ব কোণে কালসারডাড়া নামক একটি স্থানে মাঝে মধ্যে যেতে হয় আমার ব্যবসায়িক কারনে । আমার বাড়ী থেকে ঐ যায়গার দূরত্ব মাত্র ১০ কিঃমিঃ । আমি অবশ্য বাইকটা নিয়েই চলাচল করি সেখানে । কয়েকদিন আগেও গিয়েছিলাম সেই যায়গায় । নানা কাজ সেরে সেদিন বাসায় ফিরতে ফিরতে রাত শোয়া এগারোটা বেজে গেল । মনের মধ্যে খানিকটা ভয় কাজ করছিল । একঃ চোর ডাকাতের দুইঃ জ্বিন ভূতের । ঐ যায়গায় যাওয়ার পথে অনেক পুরাতন কবরস্থান সংলগ্ন একটি ঈদগাহ মাঠ পড়ে । অবশ্য এই ঈদগাহ মাঠ ও কবরস্থানের আশে পাশে কোন জনবসতি নেই । বিশাল বিস্তীর্ন পাথারের মাঝে এটি অবস্থিত । এ যায়গাটি নিয়ে নানা কল্প কাহীনিও ছড়িয়ে আছে মানুষের মাঝে । এখানে নাকি অনেকেই অনেক ভৌতিক ঘটনার সম্মুখিন হয়েছেন । সন্ধ্যার পর তাই এই রাস্তা দিয়ে মানুষের চলাচল কম । চলাচল করলেও দলবেধে বা সাথী ছাড়া কেউ করেনা । যদিও আমি এগুলোকে তেমন একটা গুরুত্ব দেইনা । হয়তঃ আপনারা মনে করছেন আমি খুব সাহসী, আসলে তা নয় একটু একটু ভয়ও কিন্তু করি । বাড়ী ফিরছিলাম একা একাই । ঘড়ির কাঁটা রাত ১১:১৫ যথারীতি ৫০-৬০ কিঃমিঃ বেগে ড্রাইভ করছি । জনমানবহীন রাস্তা, চলছি আমি একা, রাস্তার দু ধারে লাগানো মেহগনি গাছের সারি । রাতের বেলা এমন রাস্তা দিয়ে যেতে ধরলে কার না গাঁ ছমছম করে ।
যখন ভৌতিক যায়গা থেকে মাত্র ১ কিঃমি দূরে ঠিক তখনই আমার শরীরটা অজানা এক ভয়ে শিউরে উঠলো । যায়গাটি তাড়াতাড়ি পার হওয়ার জন্য বাইকের গতি বাড়ালাম । প্রায় ৮০ কিঃমিঃ বেগে চলছে , মিটারে লক্ষ্য করলাম । এখন আমি যায়গাটির ঠিক ১৫-২০ গজ দূরে । কলিজাটা আরেকবার মোচড় দিয়ে উঠলো । কবরস্থান ক্রস করছি ঠিক এমন সময় কোন কারন ছাড়াই গাড়ীর হেডলাইট অফ হয়ে গেল ।

The M6

2

সারা ইংল্যান্ড জুড়ে যতগুলো রাস্তা তার মধ্য ভুতুড়ে রাস্তা হিসেবে সবচেয়ে কুখ্যাতি অর্জন করেছে এই The M6 নামক রাস্তাটি ! এই রাস্তাটি নির্মিত হয় প্রায় ২,০০০ বছর আগে যখন সারা ইংল্যান্ড জুড়ে রোমানদের আধিপত্য বিস্তৃত ছিল ॥ রোমান সৈন্যরা এই রাস্তাটি হরহামেশাই ব্যবহার করত ॥ বিস্ময়কর ব্যাপার এই যে , আজ প্রায় ২,০০০ বছর পরও সেই সব রোমান সৈন্যদের দেখা পাওয়া যায় এই রাস্তার ধারে !! যে সকল ট্রাক ড্রাইভার রাতে বিশেষ করে মধ্যরাতের পর এই রাস্তা ব্যবহার করেছেন তারা অনেকেই ২,০০০ বছর আগেকার সেই সকল রোমান সৈন্যদের দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন ! অনেকে আবার ঘোড়ার ডাকের শব্দও পেয়েছেন ! অনেক সময় সাদা কাপড় পরিহিত , উস্কখুস্ক চুলওয়ালা মহিলাকে রাস্তার ধার দিয়ে হেঁটে যেতে দেখা গিয়েছে ! এটি বাস্তবিকই ভয়ের ব্যাপার বিশেষ করে যারা রাতে ঐ রাস্তাটি ব্যবহার করেন ! বিল হ্যারল্ড নামক এক ট্রাক ড্রাইভারের ভাষ্য মতে , ” আমি আনুমানিক রাত ১:১৫ নাগাদ ঐ রাস্তা ধরে আমার ট্রাক নিয়ে যাচ্ছিলাম ॥ ঐ রাস্তা স্বম্নধে আমার জানা থাকলেও আমি তাতে পাত্তা দিই নি ॥ যাই হোক আমি যখন ঐ রাস্তায় প্রবেশ করি তখন আমার মধ্যে এক ধরণের পরিবর্তন অনুভব করি ! আমার মাথার ভিতরটা অসম্ভব রকমের ফাঁকা মনে হতে থাকে ! ঐ রাস্তা ধরে মিনিট ১৫ চলার পর আমি রাস্তার ধারে এক বৃদ্ধা মহিলাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি ! আমি তাকে ( ! )অতিক্রম করে কিছুদূর চলে আসার পর আমার মনে হলো সে কোন বিপদে পড়েনি তো ? হতে পারে তার কোন সাহায্য দরকার ! রাস্তাটি ওয়ান ওয়ে ছিল বিধায় আমি ট্রাকটি রাস্তার ধারে থামিয়ে সেই বৃদ্ধা যেখানটায় দাঁড়িয়ে ছিল সেইখানে হেঁটে গেলাম ॥ সেখানে পৌছে আমার সারা শরীর বেয়ে আতঙ্কের এক ঠান্ডা শ্রোত বয়ে গিয়েছিল ! কারণ সেখানে গিয়ে আমি কাউকেই দেখতে পেলাম না ! এত তাড়াতাড়ি কোন মানুষের পহ্মে গায়েব হয়ে যাওয়া এক কথায় প্রায় অসম্ভব ব্যাপার ছিল ॥ আমার মাথায় তখন একটাই চিন্তা আসল যে এই রাস্তা সম্পর্কে সব যা কিছু শুনেছি তার সব কিছুই কি তাহলে সত্যি ! আমি যখন এইসব কথা ভাবছি তখনই কাছেই কোথাও ঘোড়ার নাক ঝাড়ার আওয়াজ পেলাম ! কিছু মানুষের সম্মিলিত আওয়াজও শুনতে পেয়েছিলাম ! আমি আর এক মূহূর্ত দেরি না করে ট্রাকের কাছে ফিরে আসি এবং চলতে থাকি ॥ ট্রাক চলাকালীন অবস্থায়ই আমি একবার পিছন ফিরে তাকাই ॥ আবার যখন সামনে ফিরে তাকাই তখন রাস্তার ঠিক মাঝখানে আমি সেই বৃদ্ধাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি ! আমি প্রাণপণে ব্রেক চেপে ধরি এবং স্টিয়ারিং হুইল ঘোরাতে থাকি ॥ এরপর আমার আর কিছু মনে নেই ॥ পরেরদিন আমি নিজেকে হাসপাতালের বেডে আবিষ্কার করি ! ” এই সম্পর্কে হাইওয়ে পুলিশ চীফ জ্যাক হ্যরিসন বলেন , ” আমরা বিলের দূর্ঘটনার খবর পাই রাত ২:৩০ নাগাদ ঐ রাস্তা ধরে যাওয়া অপর আরেকজন ট্রাক চালকের নিকট হতে ॥ যেহেতু মধ্যরাতের পর থেকে ঐ রাস্তায় যান চলাচল অনেকটাই কমে আসে তাই আমাদের খবর পেতে দেরি হয়েছিল ॥ “ঐ দূর্ঘটনায় ( ! ) বিলের ডান হাতের কব্জি এবং বাম পায়ের গোড়ালি ভেঙ্গে যায় ॥ তাছাড়া কপালেও সে প্রচন্ড আঘাত পেয়েছিল ! এই ঘটনার পর পারতপহ্মে বিশেষ করে রাতের বেলা কেউ ঐ রাস্তা ব্যবহার করেন না ॥ সবাই বিকল্প পথই ব্যবহার করেন !
অনুবাদকৃত

সূত্র : গুগল

পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় ও গোপনীয় ১০টি জায়গা

2

মানুষ বরাবর ই কৌতুহলি।পৃথিবী সে চষে বেড়াতে চাই জানতে চাই সমস্ত অজানাকে।কিন্তু চাইলেই কি পৃথিবীর সব গোপনীয়তা ভেদ করা সম্ভব??
উত্তরটা অবশ্যই না।পৃথিবীতে এমন অনেক জায়গা আছে যেগুলোতে চাইলে

ও কখনই যাওয়া যায়না,জানা যায়না কি হচ্ছে সেখানে আর কেনইবা এতসব গোপনীয়তা???

আজকে এমনি কিছু রহস্যময় জায়গার কথা বলব যেগুলো সাধারণ মানুষের কাছে সবসময় অধরাই থেকে গেছে।সাধারণ মানুষ পরতের পর পরত রহস্যের গল্প বুনে গেছে এগুলো নিয়ে,কিন্তু কূলকিনারা করা হয়নি কোন রহস্যের। এই রকম ১০টি জায়গা সর্ম্পকে আমরা এখন কিছু জানবো।

১)রাফ মেনওয়িদ হিল | RAF Menwith Hill:
সারা বিশ্বের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে এক বিস্ময়ের নাম এই মেনওয়িদ হিল।এটি আমেরিকার ইয়র্কশায়ারে অবস্থিত। এটি একটি ব্রিটিশ সামরিক বেস যার সাথে সংযোগ রয়েছে ECHELON নামক আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গুপ্তচর নেটওয়ার্কের সঙ্গে। এটি একটি মিলিটারি বেইজ যেটি ইখেলন গ্লোবাল স্পাই নেটওয়ার্কিং এর সাথে সংযুক্ত।আমেরিকা আর ইংল্যান্ড কে ইন্টিলিজেন্স সাপোর্ট দেওয়ার জন্যই এটি তৈরি করা হয়।পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইলেকট্রনিক মনিটরিং স্টেশান এখানেই রয়েছে। এটি বাণিজ্যিক গুপ্তচরবৃত্তি কাজেও জড়িত রয়েছে বলে মনে করা হয়। এছাড়া ধারণা করা হয় এটি যেখানে অবস্থিত সেই দেশের সমস্ত টেলিফোন এবং বেতার যোগাযোগের ফিল্টার করা হয় এখান থেকে – যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন ।
তবে পুরো জায়গার চারপাশে নিরাপত্তা ব্যাবস্থা এতটাই জটিল সাধারণ মানুষের ওই পুরো এলাকায় ঢুকা এক্কেবারেই অসম্ভবের পর্যায়ে পড়ে। রোমান্সপ্রিয় কেউ যদি সে সপ্ন কখনো দেখেও থাকে তা স্রেফ আকাশকুসুম কল্পনাই হবে।
~~যে ছবিটি দেয়া আছে সেটি দুরথেকে তোলা রাফ মেনওয়িদ হিল এর ছবি ।

২) মস্কো মেট্রো ২ | Moscow Metro-2:
এটি রাশিয়ায় অবস্থিত।পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আন্ডারগ্রউন্ড সিটি এইটি।কিন্তু এখন পর্যন্ত রাশিয়ার সরকারের তরফ থেকে কখনই এর অস্তিত্ব স্বীকার করে নেওয়া হয়নি।স্তালিনের আমলে এইটি তৈরি করা হয়েছিল।একটা বিশাল অংশের মানুষ মনে করে এটি ক্রেম্লিনের সাথে fsb headquarter এর সংযোগ স্থাপন করেছে।পুরো একটি শহর এটি অথচ মানুষ এই জায়গায় যাওয়া তো দূরে থাক,এখনো এই সম্পর্কে ভাল করে কিছু জানেই না।বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে যেখানে মহাকাশে মানুষের পদধূলি পডেছে সেখানে এই শহরে আসলে কি হয় তার বিন্ধু মাত্র মানুষের জানা নেই।

৩) কক্ষ ৩৯ | Room 39:
১৯৭০ সালে গঠিত এই অরগেনাইজেসানটি উত্তর কোরিয়ার একটি সিক্রেট অরগেনাইজেসান।ঠিক কি উদ্দেশ্য নিয়ে এটি গঠিত হয় তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।তবে এই অরগেনাইজেসানটিকে পৃথিবীর অনেক বড় বড় অপরাধের সাথে জড়িত বলে ধরা হয় এবং এই কাজগুলো সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানেই করা হয়।আপনারা কি সুপার ডলারের নাম শুনেছেন??
যাদের জন্য ব্যাপারটি নতুন তাদের জন্য বলছি এগুলো হচ্ছে আমেরিকান ডলারের নকল ভার্সন অথবা জাল ডলার যেটি পৃথিবীর সব গোয়েন্দা সংস্থা অথবা আমেরিকার মত দেশের নিরাপত্তা ব্যাবস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল।সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হল এগুলো ছিল মূল ডলারের মতই উন্নতমানের কটন- লিনেন বেন্ড দিয়ে তৈরি এবং আমেরিকার মুদ্রার অনেক সিকিউরিটি ফিচার এখানে রিক্রিয়েট করা হয়েছিল।এই পুরো ব্যাপারটার জন্য রুম ৩৯ এর দিকেই আঙ্গুল তোলা হয়েছিল সরাসরি।বিভিন্ন রকমের নিষিদ্ধ অস্ত্র কেনাবেচা এবং সুইস ব্যাংকের কিছু একাউন্টের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীতে ইন্সিওরেন্স ফ্রডের জন্য এই সংস্থাটি দায়ী।যেখানে পৃথিবীর সব বড় বড় গোয়েন্দা সংস্থা গুলো সবসময়ই এদের কাছে নাকানি চুবানি খায় হর হামেশাই আমাদের মত সাধারণ মানুষের তাদের আস্তানায় ঢুকার কল্পনা নেহাতই হাস্যকর।

৪) Area 51 :
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদাই অবস্থিত এই জায়গাটি নিয়ে সারা বিশ্বের মানুষ এখনো একটা ঘোরের মধ্যে আছে।এটি একটি মিলিটারি বেইজ এবং পৃথিবীর সবচেয়ে সিকিউর এলাকাগুলোর একটা।এর এরিয়ার বাইরেও একটা বিশাল এলাকা জুড়ে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।মূলত এটি একটি বৃহৎ গোপন সামরিক বিমানাঙ্গন বেস, এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল পরীক্ষামূলক উড়োজাহাজ এবং অস্ত্রশস্ত্র সিস্টেমের উন্নয়ন এবং পরীক্ষার সহায়ক। তীব্র গোপনীয়তা অবলম্বন করা হয় বেস ঘিরে, যার অস্তিত্ব সম্পর্কে মার্কিন সরকার প্রায়ই অস্বীকার করে যার ফলশ্রুতিতে এটি আজ বিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় স্থানে পরিণত হয়ে আছে। কি করা হয় ওখানে???পৃথিবীর একটা বিশাল অংশ মানুষের ধারনা ওখানে এলিয়েন নিয়ে গবেষণা করা হয়।অনেক মানুষ এলিয়েনদের সাথে যোগাযোগ করা গেছে বলেও বিশ্বাস করে।
৫) club 33 disneyland :
সারাবিশ্বের মানুষের জন্য ডিজনিল্যান্ড একটি বিনোদনের জায়গা।পুরো জায়গাটিই সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত শুধুমাত্র ক্লাব ৩৩ ছাড়া।ডিজনিল্যান্ডের নিউ অরলিন্স স্কয়ারে অবস্থিত ক্লাব ৩৩ একটি ব্যাক্তিগত ক্লাব।খুব রেস্ট্রিক্তেড করে রাখা হয়েছে ওই জায়গাটি,যেখানে সব সময় মদবিক্রি করা হয়ে থাকে। দাপ্তরিক ভাবে একে একটি গোপন বৈশিষ্ট হিসেবে রাখা হয়েছে।খুব আশ্চর্যের ব্যাপার হল আপনি যদি আজকে আবেদন করেন এই ক্লাবটির সদস্য হতেই আপনার প্রায় ১৪ বছর সময় লাগবে। এই ক্লাবের সদস্য পদ পেতে আপনাকে ১০ থেকে ৩০ হাজার মার্কিন ডলার খরচকরতে হবে, এবং বার্ষিক চাঁদা ৩২৭৫ থেকে ৬১০০ মার্কিন ডলার। যদি ও সাধারণ মানুষের এইখানে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

৬)Mount Weather Emergency Operations Center :
এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি প্রবেশ করবার চাইতে কোনদিন যাতে আপনাকে প্রবেশ করতে না হয় সে দোয়াই করবেন! কারণ ঐ যে “বিশ্বের সমাপ্তি” ঘটবে এরূপ ছায়াছবিতে আমরা দেখি এমন একটি গোপন এলাকা যেখানে মার্কিন সরকার তার নির্ধারিত এবং নির্বাচিত কিছু মানুষ নিয়ে প্রবেশ করেন এই আশা নিয়ে যে তারা আসন্ন ধ্বংশলীলা থেকে পালিয়ে আসতে পারবেন। মাউন্ট আবহাওয়া জরুরী অপারেশনস সেন্টার হল সত্যিকার সে জায়গাটি। ১৯৫০ সালে আমএরিকার ভার্জিনিয়াই এটি তৈরি হয়।মুলত তখনকার সমসাময়িক শীতলযুদ্ধের প্রেক্ষাপটেই এটি তৈরি করা হয়। এটি fema (federal emergency management agency) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।কেন এটিকে এতটা গোপন রাখা হয়েছে??আসলে এটি মুলত যেকোন জাতীয় বিপর্যয়ের সময় আমেরিকার (অতি) উচ্চপর্যায়ের নাগরিক আর মিলিটারি অফিশিয়ালদের জন্য এটি সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

৭)Vatican Secret Archives:
যুগযুগ ধরেই ভ্যাটিকান সিটি মানুষের রহস্যের খোরাক,সেই যীশুর আমলের আগ থেকেই পৃথিবীর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাসের সাক্ষী এই ভ্যাটিকান।এই জায়গাটিকে storehouse of secret o বলা হয়।খুব সংখ্যক স্কলার ই এই জায়গায় ঢুকতে পারেন তাও পোপের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে।এখানে প্রায় ৮৪০০০ বই আছে আর এই জায়গাটি প্রায় ৮৪ কিমি দীর্ঘ।ধারনা করা হয় খ্রিষ্টান,মেসনারি,প্যাগান আরও অনেক ধর্ম আর মতবাদের অনেক গোপন ডকুমেন্ট এখানে সংরক্ষিত আছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের এই গ্রন্থগারে প্রবেশের অধিকার নেই।

৮) Ise Grand Shrine : Japan :
জাপানের সবচেয়ে গোপনীয়,পবিত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থান। যা আসলে ১০০টিরও বেশি মঠের সমষ্টি ।খ্রিস্টপূর্ব ৪ সালে এটি নির্মাণ করা হয় বলে ধারনা করা হয়।জাপানের রাজকীয় পরিবার আর প্রিস্ট ছাড়া এতটা কাল এখানে আজ পর্যন্ত কেউ প্রবেশ করতে পারেনি।এই শ্রিন টি প্রতি ২০ বছর পরে ভেঙ্গে আবার নতুন করে নির্মাণ করা হয়।এটি নির্মাণে ও রক্ষা করা হয় আতিব গোপনীয়তা । কেন এত গোপনীয়তা ???
ইতিহাসবিদদের মতে এককালের জাপানিজ সাম্রাজ্যের অনেক পুরনো মূল্যবান নথিপত্র ওখানে লুকায়িত আছে,যেগুলো বিশ্বের সামনে আগে কখনই আসেনি। এই পবিত্র জায়গাটিতে আপনার যাবার কোন প্রশ্নই উঠে না, কারণ একমাত্র ব্যক্তি যার এখানে প্রবেশাধীকার রয়েছে তারা হলেন পূজারী বা পূজারিণী এবং এছাড়া তাদেরকে জাপানি সম্রাট পরিবারের সদস্য হতে হবে। আর তাই আমাদের কপালে শুধু আইস গ্র্যান্ড শ্রাইনের ছাদ ছাড়া আর বেশি কিছু দেখবার নেই।
~~যে ছবিটি দেয়া আছে সেটি দুরথেকে তোলা Ise Grand Shrine এর ছবি ।

৯) White’s Gentlemen’s Club :
পৃথিবীর সবচেয়ে অভিজাত ক্লাব হিসেবে ধরা হয় এটিকে। লন্ডনে অবস্থিত ক্লাবটিতে শুধুমাত্র সমাজের অভিজাত শ্রেণীর মানুষের ই পদচিহ্ন পড়ে।অবশ্য ক্লাবটির শুরুর ইতিহাস ভিন্ন কথা বলে।ফ্রাঞ্চিস বিয়াঙ্কো নামে এক লোক এটি তৈরি করে নতুন ধরনের চকলেট বিক্রির জন্য অথচ এটি এখন পৃথিবীর সেরা ক্লাব গুলোর একটি। ক্লাবটি এর “বাজি বই” (betting book) এর জন্য সর্বাধিক বিখ্যাত, যা সদস্যদের মাঝে নানা রকম উদ্ভট বাজি ধরবার অনুমোদন দেয়। এ ধরণের বাজির মধ্যে সর্বাধিক বিখ্যাত হল৩,০০০ পাউন্ডের একটি বাজি। কেন তালিকায় এই ক্লাব?নারীরা এ ক্লাবের সদস্যপদ লাভ করবার অধিকার রাখেনা। দ্বিতীয়ত,এই ক্লাবের সদস্য হওয়া রীতিমত একটি সম্মানের বিষয়।টাকা আছে কিন্তু চাইলেই আপনি এর সদস্য হতে পারবেন না, হাজারটা কাঠ খর পুড়িয়ে আপনাকে এই ক্লাবের সদস্য হতে হবে। যদি না আপনি রাজ পরিবারের একজন সদস্য, অথবা রাজনীতি বা শিল্পে অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে থাকেন, আপনি কখনো স্বতন্ত্র হোয়াইট ক্লাবের আমন্ত্রণ পাবার সৌভাগ্য লাভ করবেন না।

১০) মেঝগোরিয়া : Mezhgorye :
রাশিয়ায় অবস্থিত এই শহড়টি প্রবেশ নিষিদ্ধ এবং গোপনীয় একটি শহড়।ধারণা করা হয়ে থাকে এখানে যারা অবস্থান করছে তারা ইয়ামান্টা পর্বতে গোপনীয় কোন কাজে নিযুক্ত রয়েছে। শহড়টি ১৯৭৯সালে তৈরি করা হয়। ইয়ামান্টা নামক পর্বত টিউরাল পর্বত মালার অধিনত।বাস্কির ভাষা অনুযায়ি এই নামের অর্থ শয়তান। এই পর্বতের উচ্চতা ১৬৪০মিটার। এর সাথে রয়েছে কসভিন্সকি পর্বত। আমেরিকা ধারণা করে এখানে রাশিয়ার গোপন পারমানবিক কেন্দ্র রয়েছে। আমেরিকা ১৯৯০ সালের শেষার্ধে বরিস ইয়েতসিনের শাসন আমল কালে,সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়ার ঠিক পরে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে উত্তলিত কিছু চিত্রের মাধ্যমে ধারণা করছে এখানে বিশাল আকারের কোন খনন কার্যক্রম রাশিয়া চালাচ্ছে। বলেরেস্ক-১৫এবং বলেরেস্ক-১৬ নামক দুটি দূর্গ তৈরি করা হয়েছে শহড়ের উপরে, এছাড়া আলকিনো-২ নামে তৃতীয় আরেকটি দূর্গ রয়েছে বলে মনে করা হয়। এ অঞ্চলে ৩০,০০০ মত কর্মচারী কাজ করছে বলে ধারনা করা হয়।আমেরিকান সরকারের বারবার করা প্রশ্নের জবাবে রাশিয়ার সরকার নানা সময়ে ভিন্ন ভিন্ন রকম উত্তর প্রদান করেছে। তাদের উত্তর অনুযায়ি এটি খনিজ পদার্থ আহরণের স্থান, রাশিয়ার সঞ্চিত ধন রাখার ভান্ডার, খাদ্য ভান্ডার এবং পারমাণবিক যুদ্ধের হাত থেকে তাদের নেতাদের রক্ষা করবার জায়গা। প্রবেশ নিষেধ বিজ্ঞপ্তি ইয়ামান্টা পর্বতটি রাশিয়ার চেলিয়াবিন্সক-৭০(chelyabinsk-70) নামক পারমাণবিক গবেষনা কেন্দ্রের নিকটে অবস্থান করবার কারণে অনেকে মনে করে এটি রাশিয়ার একটি পারমাণবিক অস্ত্রের গুদাম।এর এরিয়ার বাইরেও একটা বিশাল এলাকা জুড়ে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

পৃথিবীতে কিছু কিছু জাইগা আজো সাধারণ মানুষের কাছে রহস্যময় হয়ে রয়েছে। মানুষের সমস্ত কৌতুহলি যেন রহস্যময় এই জায়গা গুলোকে ঘিরে। পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় ও গোপনীয় জায়গা গুলো হয়ত এইভাবে যুগ যুগ মানুষের অজানাই থেকে জাবে,আবার হয়ত ভবিষ্যৎতে কোন একদিন জানতে পারবে।

ভুতুড়ে হোটেল the stanley hotel (eastes park , colorado)

0

সত্য ঘটনা

পেছনের ইতিহাস : ১৯০৯ সালে ফ্রীল্যান অস্কার স্ট্যানলী ( স্ট্যানলী স্টীমার অটোমোবাইল এর প্রতিষ্ঠাতা ) এই হোটেলের ন
ির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন । ১৪০ টি রুম সম্বলিত এই হোটেলটি সম্ভবত বেশী খ্যাতি পেয়েছে স্টীফেন কিং এর দি শাইনিং বইটির মাধ্যমে । যা তিনি লিখেছিলেন স্ট্যানলী হোটেলের ২১৭ নং রুমে থাকার পর । কিং তার নভেলটি সেখানে বসে লিখেন নি এমনকি স্ট্যানলী কাব্রিক ১৯৮০ সালে যে মুভি তৈরি করেন তার শুটিং ও সেখানে হয়নি । তবে দি শাইনিং নামে যে টিভি মুভিটি হয়েছিল তার শুটিং সেখানে হয়েছিল । বর্তমানে এই হোটেলটি গোস্ট হান্টারদের জন্য খুবই চমৎকার । এমনকি হোটেল কর্তৃপক্ষ টুরিস্টদের কাছে ভূত দর্শনের অফার দিয়ে থাকেন !!!

ভৌতিকতা : অনেক ভৌতিক অভিজ্ঞতার কথা শোনা যায় এই হোটেলে যারা থাকতে আসেন তাদের কাছ থেকে …

# ফ্রীলেন স্ট্যানলী এবং তার স্ত্রী ফ্লোরাকে প্রায় অনেক টুরিস্টই দেখেছেন পার্টির পোশাক পড়া অবস্থায় । হোটেলের অনেক জায়গায়ই তাদের দেখা গিয়েছে এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশিবার দেখা গিয়েছে বিলিয়ার্ড রুমে এবং হোটেলের লবিতে ।

# মিস্টার স্ট্যানলীকে অনেক বার দেখা গেছে হোটেলের প্রশাসনিক রুমে সেখানে বসে বসে তিনি হোটেলের মেনু দেখছিলেন । তার স্ত্রী মিসেস ফ্লোরাকে দেখা গিয়েছে হোটেলের বল রুম এ বসে বসে পিয়ানো বাজাচ্ছেন ।

# হোটেলের হলওয়ে এবং কিছু কিছু রুম থেকে মাঝে মাঝে অদৃশ্য পায়ের আওয়াজ এবং খুব অদ্ভুত গলায় কথা বলার আওয়াজ শুনতে পাওয়া যায় ।

# হোটেলের স্টাফ এবং টুরিস্টরা মাঝে মাঝে অভিযোগ করেন কে যেন হঠাৎ হঠাৎ তাদের জামা টেনে ধরে রাখে ।

# একবার একজন অভিযোগ করেন যে তারা রাতে চাদর গায়ে দিয়ে ঘুমিয়েছিলেন কিন্তু রাতে উঠে দেখেন কে যেন তার চাদর খুলে নিয়ে সুন্দর করে গুছিয়ে রেখেছেন ।

# হোটেলের অন্যতম ভুতুরে রুম হল রুম ৪০৭ । স্ট্যানলীর আগে যিনি ওই হোটেলের জমির মালিক ছিলেন বলা হয়ে থাকে তিনি ওই রুমটিকে ভূতুরে করে রেখেছেন । তিনি ছিলেন তখনকার সময়ের অত্যন্ত ধনিক সম্প্রদায়ের লোক তার অভিজাত পাইপের অভিজাত তামাকের ঘ্রান এখনও নাকি ওই রুমে পাওয়া যায় । একবার ওই রুমের জানালায় একটি চেহারা ভেসে উঠেছিল যা ছিল ওই জানালার সমান যদিও তখন ওই রুমে কেউ ছিলেন না ।

# এবার রুম ২১৭ এর পালা যেখানে মিস্টার স্টীফেন কিং থেকে ছিলেন । এখানে একবার এক হোটেল পরিচারিকা একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মারা যায় ১৯১১ সালে । এরপর থেকে ওই রুমে বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটতে দেখা যায় । এই রুমের দরজা নিজে নিজে খুলে ও বন্ধ হতে দেখা যায় , এছাড়াও ওই রুমের লাইট নিজে নিজে জ্বলে ও নিভে যেতে দেখা যায় ।

# রুম নং ৪১৮ হোটেলের সবচেয়ে ভয়ানক রুম নামে খ্যাত এই রুম । এই রুম থেকে রাতে ছোট ছোট বাচ্চাদের কান্না , হাসি , খেলাধুলার শব্দ পাওয়া যায় । একবার এক দম্পতি রাতে ওই রুমে থাকেন পরদিন তারা অভিযোগ করেন যে তারা রাতের বেলা হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে শুনতে পান যে অনেক ছেলেমেয়ে একসাথে খেলাধুলা করছে তারা সারারাত ওই শব্দ শুনতে পান এবং ঘুমাতে পারেননি যদিও ওই রুমে তখন কোন বাচ্চা ছেলেমেয়ে ছিল না । এছাড়াও তারা যখন বিছানা ছেড়ে দাড়িয়ে ছিল তখন বিছানার মধ্যে এক ধরনের চাপের দাগ দেখতে পান যেন কোন অদৃশ্য কেউ ওই জায়গায় শুয়ে আছে ।

# এছাড়াও ছোট একটি বাচ্চার আত্মা প্রায় সময় নাকি দোতলার বিভিন্ন জায়গায় দেখতে পাওয়া যায় তবে একা নয় সাথে স্টীফেন কিং ও থাকেন!!!

এক মুহূর্তে হাজার প্রান কেড়ে নেওয়া একটি রহস্যময় লেকের কাহিনী

0

২১শে আগস্ট ১৯৮৬

পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ ক্যামেরুনের বর্ষাসিক্ত উচ্চ ভূমিতে ধীরে ধীরে সন্ধ্যানেমে আসে। মেষপালক হাদারী তার পরিবার-পরিজন নিয়ে পাহাড়ের উপর একটি বাড়িতে থাকে। পাহাড়ের নিচেই হালকা আলোতে জ্বলজ্বল করছে লেক নাইওস।

কেউই তখন কল্পনা করতে পারেনি যুগ যুগ ধরে ওদের জীবন-জীবিকার উৎস এই লেক তাদের জন্য প্রানঘাতী হয়ে উঠবে। নাইওস উপত্যাকায় হাদারীদের গ্রাম লোয়ার নাইওস। সারাদিনের কাজ শেষ করে ফেরা গ্রামবাসী সন্ধ্যার খাবার এবং ঘুমের প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। অকস্মাৎ এক বিকট শব্দে হাদারী চমকে উঠে। পাহাড়ের উপরসে তার বাড়ী থেকে বের হয়ে দেখে এক পুঞ্জ মেঘের মতো ধোয়া ভৌতিকভাবে নাইওস লেক থেকে ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠে আসছে।ক্রমেই ধোয়া বাড়তে থাকে। নিমিষেই এ ধোয়া আশেপাশের উপত্যকাগুলোর গ্রামগুলোতেও ছেয়ে যায়। প্রাণভয়ে হাদারী তার পরিবার নিয়ে আরো উচু একটি পাহাড়ের ঝোপে আশ্রয় নেয়। ততক্ষনে পুরো লোয়ার নাইওস গ্রাম এআজব ধোয়া আচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছে। সারারাত ঝোপে লুকিয়ে থেকে সকালে গ্রামে ফেরে হাদারী। গ্রামে ফেরে সে তার নিজ চোখকেও বিশ্বাস করতে পারে না। প্রতিটি বাড়ীর দরজায়, শোবার খাটে, ঘরের মেঝেতে শুধু লাশ আর লাশ পড়ে আছে।কেউ কেউ খাওয়ারত অবস্থা মারা গিয়েছে। শুধু মানুষ নয়,গ্রামের ছোট-বড় সব প্রানীকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। কিন্তু বাড়ী-ঘরের কোনই ক্ষতি হয়নি। অনেকটা নিউট্রন বোমার আঘাতের মত।

কি হয়েছিলো ওই দিন? সেই ঘটনার দুইমাস পর ভূ-বিজ্ঞানী কাট স্টাগার এই দুর্ঘটনার কারন অনুসন্ধানের জন্য সেখানে যান। অনুসন্ধানে বের হয় ওই দিন লেক নাইওস থেকে ১শ কোটি ঘনমিটার গ্যাস উদগিরণ হয়যার কারনে লেকের পানি ১ মিটারেরও বেশী কমে যায়। ওইদিন ছড়িয়ে পরা গ্যাসের ৯৮-৯৯ ভাগ ছিলো কার্বন-ডাই অক্সিড। এই বর্নহীন ঘন গ্যাস পানির চেয়ে দেড় গুনভারী। এটি বাতাসের অক্সিজেনকে নি:শেষ করে দেয়। একই ঘটনা ঘটেছে লেক নাইওস এলাকার গ্রামগুলোতে। বায়ুতে অক্সিজেন না থাকায় মুহূর্তের মধ্যে লোয়ার নাইওস গ্রামে ১২শ এবং আশেপাশের গ্রামে ৫শ’র মতো মানুষ মারা যায়। পুরো প্রক্রিয়াটি ঘটতে সময় লাগে মাত্র কয়েক মিনিট। এতো গ্যাস আসলো কোথা থেকে কিংবা এই গ্যাস উদগীরনের কারন কি?

এরকম ভয়ানক একটি ঘটনার মূল কারন এখনো সঠিকভাবে বের করা সম্ভব হয়নি। সম্ভাব্য একটি কারন হলো কয়েকশ বছর ধরে এই গ্যাস পানির সাথে মিশে এই লেকটি একটি টাইম বোমায় পরিনত হয়। কিন্তু এরকম বিস্ফারন্মুখ পরিস্থিতির সৃষ্টি হল কেন?? বিজ্ঞানীদের মতে, পাহাড় থেকে বড় কোন পাথর ভেঙ্গে পানিতে পড়ায় এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে, ঝড়ো বাতাসের কারনেও এটি ঘটতে পারে। মূল কারন হলো পানিতে কার্বন-ডাই অক্সাইডের পরিমান বেড়ে তা চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল যা সামান্য পুশেই বিস্ফোরিত হয়। এ ঘটনার পরে লেকের কিনারে বসবাসরত আদিবাসীদের বাচানোর জন্য নানারকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় কিন্তু এখনও এই লেকের পানিতে গ্যাসের পরিমান বিপদজনক অবস্থায় আছে।স্থানীয় আদিবাসীরা অবশ্য তাদের নিজস্ব পন্থায় চেস্টা করে যাচ্ছে যেমন: তাদের ধারনা লেকের পানিতে মাম্মি ওয়াটার নামের এক ঐশ্বরিক মহিলা বাস করে, সে নাখোশ হলেই এধরনের দুর্যোগ আসে।তাই তারা লেকের পানিতে নানারকম পশু-প্রানীকে জবাই করে উৎসর্গ করে তাকে খুশী রাখার জন্য।

মেছোভূত আমার গলা টিপে ধরেছিল ২

0

পর্বঃ ২
অন্ধকারের জন্য তখনও করিমের মুখটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, “এতো অন্ধকারে মাছ ধরতে নামাটা কি ঠিক হবে?” সে বলল, “আরে কিছু হবে না। দেরি করলে লোকজন চলে আসতে পারে।”
করিমের গলার আওয়াজ কেমন যেন অন্য রকম মনে হল। মনে হল অন্য কেউ কথা বলছে। আমি অবাক হলাম না। কারণ ঘুম থেকে উঠলে গলার স্বর একটু অন্য রকমই লাগে। করিম এতো তাড়াহুড়ো করতে লাগলো যে আমি আর আপত্তি করার সুযোগ পেলাম না। জামাকাপড় গুটিয়ে নেমে পড়লাম বিলে। করিমও গুটালো জামাকাপড়। তবে নামার আগে কিসের যেন একটা পুটলি লুকিয়ে রাখলো ঝোঁপের মধ্যে। আমি সে দিকে তাকাতেই ধমকে উঠল সে, “যে কাজ করতে এসেছিস, সে কাজ কর। এতো কথা বলিস না।”
এবার করিমের গলাটা শুধু অন্যরকমই না, একেবারে অদ্ভূতশোনা গেল। আমি তার দিকে ভাল করে তাকালাম। সঙ্গে সঙ্গে সে মুখ ঘুরিয়ে নিল। তারপর লম্বা লম্বা পায়ে এগিয়ে যেতে লাগল খাদের দিকে। এমনিতে বিলে তেমন পানি না থাকলেও খাদে তখন অনেক পানি। যে কেউ ডুবে যাবে। কিন্তু করিম এক লাফে নেমে পড়ল খাদে। নেমেই ডাকতে লাগল আমাকে,“ আয় আয়। বেশি পানি নেই, ডুববি না।” আমি জোর গলায় বললাম,“না,আসব না। খাদে অনেক পানি। ডুবে যাব।” করিম রেগেমেগে বলতে লাগল, “কে বলেছে অনেক পানি! দেখতে পাচ্ছিস না আমার মাত্র হাঁটু পানি?” যদিও অন্ধকারেরজন্য তেমন দেখা যাচ্ছে না, তবু আমি ভালভাবে তাকিয়ে দেখলাম সত্যি সত্যি হাঁটু পানিতে দাঁড়িয়ে আছে করিম। দেখে আমি তো একেবারে থ। যে খাদে কম পক্ষে পাঁচ হাত পানি হবে, সেখানে কিনা তার হাঁটুপানি হচ্ছে!
হঠাৎ করিম আমার হাত ধরে টানতে লাগল। কিন্তু খাদ থেকে কীভাবে সে এতো তাড়াতাড়ি আমার কাছে এলো, হাত ধরলো- বুঝতে পারছিলাম না। আমি হাত ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য যেই তার হাতের দিকে তাকালাম, দেখি সে দাঁড়িয়ে আছে খাদেই। তার হাত দুটি লম্বা হয়ে এসে আমার হাত ধরেছে। শুধু তাই নয়,তখনও আমাকে টানছে খাদে নামানোর জন্য। আর আমি প্রাণপণে চেষ্টা করছি হাত ছাড়িয়ে নিতে। একসময় টের পেলাম কে যেন আমার গলা চেপে ধরেছে। তারপর আর কিছু বলতে পারব না।
কে যেন আমার চোখেমুখে ঠাণ্ডা পানি ছিটিয়ে দিল। চোখ খুলে দেখি মা-বাবা ভাইয়াসহ গ্রামের শতশত মানুষ ঘিরে রেখেছে আমাকে। এতো মানুষ কেন? জিজ্ঞাসা করতেইজানতে পারলাম, রাতে আমি ভূতের খপ্পরে পড়েছিলাম। ওটা আসলে করিম ছিল না, ওটা আসলে করিম ছিল না, ছিল ভূত। আর তখনও রাত পোহাতে ঘণ্টা তিনেক বাকি ছিল। করিম এসেছিল সময় মতই। বারবার দরজায় নক করার পরও যখন সাড়া শব্দ পাচ্ছিল না, তখন সে ডাক দিয়েছিল আমাকে।এতে ঘুম ভেঙে যায় ভাইয়ার। আমাকে ঘরে না দেখে তারা খুঁজতে থাকে এদিক সেদিক। এক সময় আমাকে তারা উদ্ধার করে বিল থেকে। সবাই নিশ্চিত,আর কিছুক্ষন পরে গেলে আমাকে আর জীবিত পাওয়া যেত না।

মেছোভূত আমার গলা টিপে ধরেছিল ১

0

আমাদের গ্রামটা তখন বেশ ফাঁকা ছিল । পুরো গ্রামে বিশটা বাড়ি ছিল কিনা সন্দেহ। যেহেতুবাড়ি কম, অতএব মানুষও কম। কোন কোলাহল নেই, নিরব নিস্তব্ধ চারদিক। দিনে দুপুরে হাঁটাচলা করতেইকেমন যেন ভয় ভয় করত। বিশেষ করে আমাদের গ্রামে বড় বড় কয়েকটা গাছ ছিল- গাব গাছ আর বট গাছ। আমরা এসব গাছের ধারে-কাছে যেতাম না। কারণ মা বাবা সব সময় আমাদের সতর্ক করে দিতেন, এই সবগাছে নাকি ভুত থাকে। সুযোগ পেলেই ঘাড় মটকাবে।
মা বাবার কথা যে সত্য, সেটা বোঝা যেত গাছগুলোর ডাল পালার দিকে তাকালেই। কী বড় বড় ডাল! এক একটা ডালে রাজ্যের ঝোপ। প্রতি ডালে যদি দশটা করে ভূত বসে থাকে, গল্পগুজব করে তবু কেউ টের পাবে না।
আমাদের পাশের বাড়িতে একটা ছেলে বেড়াতে আসত প্রায়ই। ছেলেটার নাম ছিল করিম। বয়সে আমার চেয়ে দুতিন বছরের বড় ছিল। তবে সে আমার সাথে এমন ভাবে মিশত, আমার মনেই হতোনা আমি তার ছোট। আমরা নানা রকম পরিকল্পনা করতাম একসঙ্গে।কোথায় মাছ ধরতে যাবো, কখন পাখির বাসা খুঁজতে যাবো, কার গাছের ফল পেড়ে খাবো- সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে যেত করিম আসার সঙ্গে সঙ্গেই। তবে এসব পরিকল্পনা আমরাযেখানে সেখানে বসে করতাম না। কারণ মা বাবা শুনে ফেললে পিঠে যে শুধু লাঠি ভাঙবেন তা-ইনা, দুএক বেলা খাবারও বন্ধ রাখতে পারেন। এজন্য আমরা চুপচাপ চলে যেতাম বাড়ির বাইরে। মন খুলে বুদ্ধি পরামর্শ করে দুজন দুদিক দিয়ে ঢুকতাম বাড়িতে। কেউ যদি কিছু টের পেয়ে যায়, সেই ভয়ে।
একবার এক ছুটিতে বেড়াতে এলো করিম। এসেই দৌড়ে চলে এলো আমাদের বাড়িতে।আমি তখন ঘুমাচ্ছিলাম। করিমের ধাক্কায়ঘুম ভেঙে গেলো। সে কিছু না বলে ইশারা দিলো বাইরে যাওয়ার জন্য। আমি কোন কথা বাড়ালাম না। বাড়ি থেকে বের হয়ে সোজা গিয়ে দাঁড়ালাম গোয়াল ঘরের পেছনের চিকন পথটায়। তারপর দুজনে কুশল বিনিময় করতে করতে চলে গেলাম বিলপাড়। এরই মধ্যে করিম জানাল এবার সে পুরো এক সপ্তাহ থাকবে। পরীক্ষাশেষ, তাই স্কুল বন্ধ। শুনে আমি লাফিয়ে উঠলাম আনন্দে। এক সপ্তাহ দুজন এক সাথে থাকার সৌভাগ্য এর আগে কখনও হয়নি। করিম বলল, “সারা সপ্তাহের পরিকল্পনাটা এখনই করে ফেলতে চাই।”
কিন্তু বসবো কোথায়? বিলপাড়ে অনেক মানুষ। সবাই বিল পাহারা দিচ্ছে।প্রায় শুকিয়ে যাওয়া বিল থেকে পাশের পাড়ার ছেলেরা মাছ চুরি করতে আসে তো, তাই। কোন নির্জন জায়গা নেই। আশে পাশে তাকিয়ে দেখলাম একমাত্র বটতলাটাই ফাঁকাআছে। কিন্তু বটতলায় গিয়ে বসার মতো সাহস আমার নেই কে জানে কখন ঘাড়ের ওপর লাফিয়ে পড়ে ভূত। করিম খুব করে বোঝাল। বলল, “এতো ভয় পেলে জীবন চলে না। এছাড়া কেউ তো আমাদের বেঁধে রাখবে না। ভুতের আনাগোনা পেলে ঝেড়ে দৌড় দেব। দৌড় আমরা কম জানি না। বরাবরই ফার্স্টহই। সবচেয়ে বড় কথা হল আর কোথাও নির্জন জায়গা নেই।” অতএব আমরাগিয়ে বসলাম বটতলায়। ভয়ে আমার বুক কাঁপতে শুরু করলেও করিমকে সেটা বুঝতে দিলাম না লজ্জায়।
করিম নানা রকম পরিকল্পনা করতেশুরু করল। আমি তেমন কোন কথা না বলে শুধু হ্যাঁ হ্যাঁ করে যেতে লাগলাম। আর বারবার তাকাতে লাগলাম বটগাছেরডালের ঝোঁপগুলোর দিকে। করিমের অনেকগুলো পরিকল্পনার মধ্যে একটা পরিকল্পনা ছিল- পরের দিন খুব ভোরে আমরা বিলে মাছ ধরতে নামব। চুরি করব না, আমাদের জমি থেকেই ধরব। নিজ হাতে বড় মাছ ধরার মধ্যে একটা আনন্দ আছে। এছাড়া সকাল বেলা সবাইকে মাছ দিয়ে চমকে দেওয়ার ব্যাপারটা তো আছেই। আমি একমত প্রকাশ করলাম করিমের সাথে। সিদ্ধান্ত হলো- ফজরের আজান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে এসে আমাকে ডাক দেবে। আমি তখন বেরিয়ে যাবো আস্তে করে। কথাবার্তা শেষ করে আমরা উঠে দাঁড়ালাম বসা থেকে। বাড়ির দিকে পা বাড়াতে বাড়াতে আরো বেশ ক’বার তাকালাম ডালের দিকে। করিমকে জিজ্ঞাসা করলাম,“আচ্ছা, আমাদের সব পরামর্শ ভুত শুনে ফেলেনি তো?” করিম হেসে বলল, “তুই কীযে বলিস না! ভূতের খেয়ে দেয়ে আর কাজ নেই,আমাদের কথা শুনতে আসবে। শোন, মাথা থেকে এসব আজগুবি চিন্তা দূর কর।”
বাড়ি আসলাম। রাতে একটু পড়াশোনা করে শুয়ে পড়লাম। কিন্তু কোনভাবেই ঘুম আসছিল না। শুধু মনে হচ্ছিল- কখনআজান দেবে, আর কখন বিলে যাব। এপাশ ওপাশ করছিলাম। শোয়া থেকে উঠে-বসেও ছিলাম তিন চার বার। তারপর হঠাৎ কখন ঘুমিয়ে পড়ি, টের পাইনি। ঠকঠক করে আওয়াজ হলো দরজায়। সঙ্গে সঙ্গে ঘুম ভেঙে গেল আমার। ঘাড় উঁচু করে তাকালাম পাশের খাটে। যদিও অন্ধকারের জন্যদেখা যাচ্ছে না, তবু নাক ডাকানো শুনে বুঝতে পারলাম ভাইয়া গভীর ঘুমে। অতএব নিশ্চিন্তে বেরিয়ে পড়লাম ঘর থেকে। বাইরে এসেই দেখি করিম দাঁড়িয়ে আছে মাছ ধরার সরঞ্জাম নিয়ে। অন্ধকারে তার মুখ দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু এতো অন্ধকার কেন ঠিক বুঝলাম না। আযানের সময় তো প্রায়ই উঠি। অন্যদিন তো এতো অন্ধকার থাকে না। মনে হয় আজ আকাশে অনেক মেঘ। আমি কয়েকবার বাবার ঘরের দরজার দিকে তাকিয়ে হাঁটতে লাগলাম করিমের পিছুপিছু। দেড় মিনিটের মধ্যে পৌঁছে গেলাম বিলপাড়

কিছু অস্বাভাবিক তথ্য পর্ব-২২

0
Most_Popular_Ghost_Pic

Most Popular Ghost Pic

এই ছবিটি তোলার কয়েকদিন পরেই নাকি ছবির ডান পাশের কালো জামা পড়া মেয়েটি মারা যায় । ইন্টারনেটে অনেক প্রচলিত একটি ছবি এটি । সত্যতা কতোটুকু জানি না । তবে অসংজ্ঞায়িত ব্যাপারের কি কোন শেষ আছে ?