বিশ্বের আলোচিত কিছু ভৌতিক এলাকা

2

ভূত!
খুব পরিচিত একটি বিষয় বই পড়ুয়াদের কাছে। অন্তত আমরা একটা ভূতের গল্প পড়িনি এমনটা হওয়া খুবই অস্বাভাবিক। বিষয়টাই এমন যে ছেলে থেকে বুড়ো সব সময়ই সব বয়সের কাছে ভূতের গল্প বেশ সমাদৃত এবং জনপ্রিয়। ভূত যেমন নিত্যদিনের বিনোদনে পরিণত হচ্ছে ঠিক তেমনি ভূতুড়ে এলাকার প্রচারও যেন দিন দিন বেড়ে চলছে। যেমন ধরা যাক,

** সিঙ্গাপুরের পশ্চিমের একটি প্রসিদ্ধ ভূতুড়ে স্থান আছে। জায়গাটা বুকিত তিমাহ রোডের পাশে অবস্থিত পুরাতন ফোর্ড মোটর ফ্যাক্টরি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানী সেনাবাহিনী এই ফ্যাক্টরিটা তাদের সদর দফতর হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করে। মূলত: যুদ্ধাহত শত্রুসেনা বা প্রতিপক্ষের চর বা বন্দীদের এখানে ধরে এনে নির্যাতন এবং বন্দী করে রাখা হত। যুদ্ধ শেষ হলেও স্থানীয় লোকজন বলাবলি শুরু করল যে প্রায়শই তারা মৃতপ্রায় বা নির্যাতিত মানুষদের অস্পষ্ট আর্তনাদ শুনতে পায় ফ্যাক্টরির ভেতর থেকে। এর কিছুদিন পর একটি চাকা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্টরিতে তাদের কাজ শুরু করে, কিন্তু মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে কোন কারণ না দেখিয়েই তারা ফ্যাক্টরিটি ছেড়ে চলে যায়। ধারণা করা হয় যে, জাপানি সৈনিকদের হত্যা করা মানুষগুলোর ভূত এখানে বিরাজ করে।

** এরকম আরেকটি কুখ্যাত ভূতুড়ে এলাকা হল,
মালয়েশিয়ার জেন্টিং এলাকা। জায়গাটি পার্ক, ক্যাসিনো এবং পর্যটন শিল্পের জন্য প্রসিদ্ধ হলেও রহস্যজনকভাবে ভূতুড়েও বটে। এলাকার কিছু উচুঁ টিলা থেকে বেশ কিছু মানুষ লাফিয়ে পড়ে আত্মাহুতি দিয়েছে কোন এক সময়। অধিকাংশ পর্যটক রহস্যজনক ব্যক্তিকে মোটেলের ছাদ থেকে লাফ দিতে দেখেছে কিন্তু ভূমি স্পর্শ করার পূর্বেই যেন খোলা বাতাসে তাদের দেহ উধাও হয়ে যায়। অনেকে এও বলেছে যে, রাত্রে ঘুমাবার সময় তারা খালি ওয়ারড্রব থেকে অদ্ভুত সব শব্দ শুনতে পায়। কেউ কেউ কোন কারণ ছাড়াই অসুস্থ হয়ে পড়ে।

** ভারতের রাজস্থানের বেনগার দুর্গ কে তো রীতিমত সরকারিভাবে ভূতুড়ে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। পৌরাণিক মতাদর্শানুযায়ী, রাণী রত্নাবালী এবং রাজা সিং শিব্রার মধ্যে এক তুমূল তান্ত্রিক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এখানে এবং রাজা সে যুদ্ধে পরাজয় বহন পূর্বক মৃতু্যবরণ করেন। কিন্তু তিনি মৃতু্যর পূর্বে অভিশাপ দিয়ে যান যে, যে ব্যক্তি সূর্য উদয় হবার আগে এবং সূর্য অস্ত যাবার পড়ে এখানে অবস্থান করবে তার মৃতু্য হবে। সম্প্রতি আর্কিওলোজীকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া স্থানটিকে “হন্টেড” বা ভূতুড়ে ঘোষণা করেছে।

** প্যারিসের ক্যাটাকম্ব জাদুঘর টি মূল শহরের মাটির নিচে একটি টানেল আকারে গড়ে তোলা। প্রায় ষাট লাখ মানব কংকাল দিয়ে এটি গড়ে তোলা হয়েছে। শোনা যায়, মৃতদের আত্মা নাকি এই টানেলে প্রায়ই দৃশ্যমান হয়। কেউ কেউ নেদারল্যান্ডের অ্যানা ফ্রাঙ্ক জাদুঘরকেও ভূতুেড় বলে আখ্যা দেয়। কারণ অনেকে নাকি একটি বালিকাকে জানালার পাশে নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছে।

** দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউন থেকে ১৬৪১ সালে ক্যাপ্টেন হেনড্রিক ভ্যান ডার ডেকেন তার জাহাজ নিয়ে বের হন। তার ইচ্ছা ছিল সমগ্রবিশ্ব ভ্রমণ করে আবারও তার প্রিয় দেশে প্রত্যাবর্তন করা। কিন্তু তার জাহাজ আর কোনদিন ফেরেনি, ভয়াল সমুদ্র হয়ত তা গ্রাস করেছে। আজও নাকি গভীর সমুদ্রে একটি নাবিকশূন্য ভূতুড়ে জাহাজের দেখা মেলে। লোকে এর নাম দিয়েছে দ্য ফ্লাইং ডাচম্যান।

** কেপ টাউনের অধিকাংশ ভবনগুলো ১৬৬৬ থেকে ১৬৭৯-এর মধ্যে নির্মিত। এদের মধ্যে অন্যতম হল ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়ান কোম্পানী দ্বারা নির্মিত গুড হোপ ক্যাসল। মূলত এটি নির্মিত হয়েছিল বন্দীশালা হিসেবে ব্যবহারের জন্য। ১৭২৯ সালের এপ্রিল মাসে গভর্নর পিটার গিসবার্থ ভ্যান নু্যড সাতজন সৈনিককে কারাদণ্ড দেন এবং তাদের মৃতু্যদণ্ড এ ক্যাসেলেই কার্যকর হয়। সেই সৈনিকেরা মৃতু্য পূর্ব পর্যন্ত তাদের নির্দোষ বলে দাবী করেছিল এবং বারবার গিসবার্থকে বলেছিল যে ঈশ্বর একদিন তাদের অবিচারের শাস্তি গভর্নর গিসবার্থকে দিয়েই ছাড়বে। ঠিক সেদিনই অজানা কারণে গিসবার্থও মারা যায়। আজও নাকি মৃতপ্রায় সেনাদের সেই অভিশাপ শোনা যায়। অনেকে গিসবার্থকে নাকি স্বচক্ষে ভ্রমণরতও দেখেছে ক্যাসলের ভিতরে।

** অস্ট্রেলিয়ার কুইসল্যান্ডের আর্চফিল্ড বিমানবন্দর বেশ পরিচিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই বিমানবন্দর ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে যখন ২৭ মার্চ ১৯৪৩ সালে একটি সি-৪৭ ডেকোটা পেস্নন উড্ডয়ন করার কিছুক্ষণ পরই বিধ্বস্ত হয় এয়ারপোর্টে। মোট ২৩ জন সেনা কর্মকর্তা ঘটনাস্থলেই মারা যান। এর মাত্র কিছুদিন পর থেকেই বিমানবন্দর কতর্ৃপক্ষ একটি অভূতপূর্ব ব্যক্তির দেখা পেতে লাগলেন। কেউ কেউ বর্ণনা দেন, লোকটা যুদ্ধ বিমানের পাইলট সম্ভবত, গায়ে ইউনিফর্ম পরা, যেন এখনই তাকে যুদ্ধে যেতে হবে। বেশিরভাগ সময়ই রানওয়েতে তাকে একা বিচরণ করতে দেখা যায়। বিশেষ করে বেটি রোডে তার বিচরণ প্রায়ই লক্ষণীয়।

** তাসমেনিয়ার রিচমন্ডে অবস্থিত অন্যতম প্রাচীন নিদর্শনগুলোর একটি রিচমন্ড ব্রিজ। জর্জ সাইমন গ্রোভার নামে এক অপরাধী রিচমন্ড শহরের কুখ্যাত অন্য অপরাধীদের সাথে জোচ্চরি করে পলায়নরত অবস্থায় ধরা পড়ে যায়। সে অবস্থায় জর্জ ছিল মাতাল, তার শত্রুরা মারপিটের পর ঐ ব্রিজ থেকে তাকে নিক্ষেপ করলে জর্জ মারা যায়। প্রত্যক্ষদশর্ীরা নাকি এখনও জর্জের আত্মাকে ব্রিজ পাড়ি দিতে দেখে।। আরো রহস্যজনক হল, একা কোন মহিলা বা শিশু যদি রাতের বেলা ব্রিজ পাড়ি দেয় তবে একটি বৃহৎ কালো কুকুরকে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখা যায়। লোকে একে জর্জ গ্রোভারের কুকুর বলে ডাকে।

** যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপ্টেন রিন্ডসে হাউস মূলত এন্টিক সংগ্রহশালা। অনেকেই বলেন যে এখানে নাকি পরমাত্মারা প্রায়ই বিচরণ করে। প্রচলিত গল্পগুলোর মধ্যে একটি হল- হঠাৎ পাশের ঘরে একটি শব্দ হল, দর্শক পাশর্্ববতর্ী ঘরে গিয়ে দেখল যে সব কিছুই যথাযথ স্থানে সাজানো আছে। অতপর সে পূর্বের ঘরে ফিরে এসে দেখল বিছানার চাদরে পাঁচ আঙ্গুলের হাতের ছাপ!

** ম্যাসাচুসেটস -এর ৪৪নং রুটের লাল চুলো আগন্তুক এক কুখ্যাত ভূত। প্রত্যক্ষদশর্ীদের বর্ণনা মতে, চলমান গাড়ি থেকে রাস্তার মাঝখানে হন্টনরত একটি লোককে নাকি প্রায়ই দেখা যায়। পরনে জিন্সের প্যান্ট, লাল ফ্লানেলের শার্ট, দাড়ি এবং চুল লাল রঙের এই ভদ্রলোক নাকি এই রাস্তাতেই অনেক দিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন।

** বোস্টনের চার্লসগেট হোটেল টি বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা হোস্টেল হিসেবে ব্যবহার করত। কিন্তু একবার এক ছাত্র এখানে আত্মহত্যা করায় কতর্ৃপক্ষ এমারসন কলেজকে ১৯৮১ সালে তা বিক্রি করে দেয়। কিন্তু লিফটে এক ছাত্রীর মৃতু্য হওয়ায় ধরে নেয়া হল যে হোটেলটি ভূতুড়ে। অনেক শিক্ষাথর্ী নাকি রহস্যময় ছায়ার নির্দেশ পেয়েছিল। অনুসন্ধান করতে নেমে তারা এক রহস্যাবৃত সত্য উদঘাটন করল। হোটেলের দেয়ালের ভেতরে এক গোপন কামরায় তারা কাল জাদু চর্চার প্রমাণ পায়। ১৯৯৪ সালে হোটেলটি নিলামে বিক্রি হয়ে গেলে কনডোমিয়ামে রূপান্তরিত করা হয়।

অলৌকিক না কি অন্য কিছু?

4

একের পর এক বসতঘরে দাউদাউ করে হঠাৎ জ্বলে উঠছে আগুন। কীভাবে ঘর জ্বলে যাচ্ছে তা কেউ সনাক্ত করতে পারছে না। অথচ আগুন জ্বলছে। একটি বসতঘর পুড়ে ছাই হতেই আবার হঠাৎ করে জ্বলে উঠছে আরেকটি ঘর। আতঙ্কে ঘরের মালামাল নিয়ে মানুষ দিকবিদিক ছুটোছুটি করছে। বাড়ি ছেড়ে অনেকে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন। এলাকাজুড়ে চলছে আতঙ্ক। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুনের নিশানা খুঁজে পাচ্ছে না।

গতকাল রবিবার বিকেল ৫টা থেকে এমন আগুনে ছারখার হচ্ছে বাউফল উপজেলার বগা ইউপির সাবুপুরা গ্রামে। দোয়া-মিলাদ দিয়েও এর কোনো প্রতিকার মিলছে না। ফলে স্থানীয়রা এ ঘটনাকে অলৌকিক বলে মনে করছেন।

গত রবিবার সন্ধ্যায় সরেজমিন গিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা দেখতে পান ৪টিঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। তখন জ্বলছে খলিল আকনের বসতঘর। এমন অলৌকিক আগুনের খবর শুনে উৎসুক কয়েক শতাধিক জনতা জড়ো হয় ওই এলাকায়।

উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে সাবপুরা বাজার থেকে মাত্র ২০০ গজ পশ্চিম-উত্তর পাশে ১০০ গজের মধ্যে এ অলৌকিক আগুনে বিকাল ৫টায় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সিদ্দিক হাওলাদারর বসতঘর। এলাকার লোকজন আগুন নেভাতে এসে দেখেন এর ২৫ গজ দূরে সেলিম হাওলাদারের ঘরে মুহূর্তেই আগুন লেগে যায়। অল্প সময়ের ব্যবধানে আগুন পুড়ে ছারখার হয়ে যায় একই এলাকার মো. রফিক মিয়া, ফোরকান মুন্সী, মোসলেম আকন ও কালাম মিয়ার বসতঘর।

স্থানীয়রা জানান, গত বিশ-পঁচিশ দিন আগে সেলিম হাওলাদার নামের এক গাছ ব্যবসায়ি তার বাড়ির পাশে ফয়জর কারিকরের বাড়ি থেকে ১১ টি বিভিন্ন ধরনের গাছ ক্রয় করেন। গাছ কাটার সময় একটি কদম গাছে সাদা কাপর জড়ানো মাথা ন্যাড়া এক দরবেশকে দেখতে পায় তার ৮ বছরের মেয়ে সোনামনি। এসময় গাছটি কাটতে বারন করে সোনামনি। কিন্তু সেলিম হাওলাদার মেয়ের নিষেধ উপেক্ষা করে গাছ কাটার পরের দিন থেকে তার বাড়িতে প্রথম আগুনের ঘটনা ঘটে। কোনো প্রকার আগুনের সূত্রপাত ছাড়াই এভাবে ৬ বার আগুন লাগে তার ঘরে। আগুনে তার ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে না গেলেও কখনো ঘরের বেড়া, আবার কখনো আসবাবপত্র ও পরিধেয় কাপরচোপড়ে আগুন লাগত। গ্রামের মানুষ এ ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেতে দোয়া মিলাদের আয়োজন করেছে। কিন্তু তাতেও কোন প্রতিকার না পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে ওই গ্রামের বাসিন্দারা।

গতাকালের এ ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে ওই গ্রামের তিনশ পরিবার বাড়ি ঘর ছেড়ে প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ মালামাল নিয়ে চলে যাচ্ছে অন্যত্র।

ভৌতিক ইনভেস্টিগেশন। ভৌতিক ঘটনা। কোন এক মন্দিরে (মিস্ট্রি হান্টারস)

9

এটা আমাদের(মিস্ট্রি হান্টারস) পঞ্চম ইনভেস্টিগেশনের একটা ঘটনা৷ আমরা একটা গ্রামের হন্টেড স্থানের তথ্য পেয়ে সেখানে ইনভেস্টিগেশনে যাই৷ তথ্যটি এমন যে তিথী অনুযায়ী বাংলা মাসের কোন বিশেষ দিন থেকে টানা ৩ দিন রাতে একটি পুরনো মন্দিরে খুবই সমস্যা হয়৷ এবং ওই রাতগুলোতে মন্দিরের আশেপাশের মানুষরা শান্তিতে থাকতে পারে না৷ আর এমনি সময়েও মন্দিরের কাছে ভয়ে কেউই আসে না৷ যাই হোক একজন লীড হান্টার(শাদমান সৌমিক) ও একজন ইনভেস্টিগেটর(সুমন বাবু) ওই স্থান টা তে যায়৷ ওরা গ্রাম টা তে পৌছায় তখন বিকাল৷ ওরা মন্দির টা তে গেল, কিছু প্রয়োজনীয় ছবি ক্যাপচার করলো৷ মন্দিরটার ৪ টা ভাগ৷ একটা শিব এর জন্য,একটা কালীর জন্য, একটা দূর্গা পূজার জন্য ও একটা মনসার জন্য৷ ক্যাপচারিং এর পর সন্ধার দিকে মাইন্ড রিেফ্রশমেন্ট এর জন্য ওরা গ্রামের একটা বাজারে যায় এবং সেখানে রাত ১০টা পর্যন্ত অবস্থান নেয়৷ এরপর ১০.৩০ টার দিকে ওরা ওই মন্দিরের কাছে যায়৷ ওখানটা রাতে কেমন যেন ছমছমে ছিল৷ ওরা ক্যামেরা ও অন্যান্য জিনিস সেটআপ করলো৷ রেকর্ডার অন করলো৷ এরপর ওরা অপেক্ষা করলো কমপক্ষে ২ ঘন্টা৷ কিন্তু কিছু ঘটলো না৷ তখন ওরা সেদিনের জন্য প্যাকআপ করে চলে আসার প্ল্যান নিয়েছে এমন সময় বিশাল এক শব্দ৷ ওরা দুই দিকে সরে গেল৷ সাথে সাথে ওরা শব্দের উত্সের দিকে আলো ফেললো৷ ওরা দাড়িয়ে ছিল কালীর ঘরটার সামনে৷ ওরা দেখলো যে কালীর মূর্তিটা নিছে পড়ে ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে৷ ওরা দিনে ক্যাপচার করা পিক. চেক করে দেখলো যে কালী মূর্তিটা দাড়ানো ছিল৷ এবং ওটা পড়ে যাওয়ার কোন কারন ছিল না৷ এই ঘটনার পর আরো ১ ঘন্টা ওরা অপেক্ষা করলো৷ কিছু ঘটলো না৷ এরপর ওরা প্যাকআপ করে ব্যাক করবে৷ সব প্যাকআপ হয়ে গেছে এমন সময়ে বাবু উঃ করে উঠলো৷ ঠির এর ১/২ সেকেন্ড এর মাথায় সৌমিক এর মাথায় ককেটা ছোট পাথরের টুকরোর মত কিছু একটা আঘাত করলো৷ ওরা ২জন ই তখন বুঝলো কিছু একটা হচ্ছে৷ ওরা জিনিসটা খুজলো৷ পেল৷ দেখলো একজোড়া মাটির কানের দুল৷ এবং ওরা দিনে পিকচার গুলো অনেক ঘেটে ওরা ধারনা করলো যে এটা কালী বা দূর্গার কানের দুল৷ ওরা এরপর ভাবলো যে ইনভেস্টিগেশনের সময়ের ভিডিও তো আছে৷ কিছু ঘটলে ওটাতে দেখা যাবে৷ যাই হোক পরদিন সকালে ওরা আবার মন্দিরে এল৷ অবাক ব্যপার টা হলো ওরা দেখলো কালী ঠিক ঠায় দাড়িয়ে আছে৷ এবং মন্দিরের সবই ঠিক আছে৷ শুধু নেই দূর্গার কানের দুল৷ যে দুটো ওদের মাথায় রাতে আঘাত করেছিল৷ ও দুটো ওরা নিয়ে গিয়েছিল৷ পরে ওরা ইনভেস্টিগেশনের সময়ের ভিডিও চেক করার জন্য কার্ড ইনসার্ট করলে দেখে কার্ডটাও নষ্ট হয়ে গেছে৷
আমরা ইনশাল্লা আবার ওখানে যাব৷ আমাদের সাথেই থাকুন৷