ডাকিণী ৪৬তম পর্ব

লিখেছেনঃ সানজিদা সুলতানা সুমা
(গল্পটিতে কিছু কিছু ১৮+ কন্টেন্ট আছে। তাই ছোটরা গল্পটি না পড়লেই ভালো।)
***** আপনাদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে যে, আপনার বয়স ১৮+ না হলে এই পর্বটি পড়বেন না। *****
মনিকাকে ফোন দিতে যেয়ে দেখি ও ফোন ধরছে না। অনেক চিন্তা হলো মেয়েটার জন্যে।! কিন্তু আমারও তো মানুষের শরীর। ক্লান্তি যে আমার উপরও ভর করে। বিশেষ করে এমন একটা বিদঘুটে দিনের পর। তাই মনিকাকে খোজা বাদ দিয়ে আমি কাউচের উপর দেহটা এলিয়ে দিলাম। মারগারেটের আবির্ভাবের পর কতদিন আমি ওই ঝাড়বাতিটার নিচ দিয়ে হেটে গেছি। বুঝলাম কেবল এই আংটিটার জন্যেই ঝাড়বাতিটা আমার মাথায় পড়ে নি। আভ্যন্তরিণ ক্ষত না থাকার শর্তটা বারবার আমার জীবন বাঁচিয়ে দিয়েছে। স্থির করলাম নিশ্চিত মৃত্যুর ঠিক আগ মুহুর্ত ব্যাতিত কখনই আমি আংটিটা খুলবো না। কিন্তু আজকের এই ঘটনাটা আদিনের পরিবারের উপর কি দুর্বিষহ প্রভাব ফেলবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম তা খেয়াল নেই। কিন্তু দুঃস্বপ্ন আর আমার পিছু ছাড়লো না। স্বপ্নে দেখলাম আমি কাউচের উপর ঠায় ঘুমিয়ে আছি। পেছন থেকে মনিকা পা টিপেটিপে এসে আমার ছুরিটা ঠিক হৃদপিণ্ড বরাবর আমূলে বসিয়ে দিয়েছে। মাঝরাতে চিৎকার করে জেগে উঠলাম। কি অদ্ভুত। ঘুম থেকে জেগে মনিকার জন্যে খুবই দুশ্চিন্তা হলো। ওদিকে ফের ঘুমিয়ে পড়তেও ভয় করছে। আবার না জানি কোন দুঃস্বপ্ন দেখি।তারপরেই হঠাৎ মনে পড়লো বেসমেন্টের কথা। গতরাতে বেসমেন্টে ঘুমিয়েছিলাম। একটা দুঃস্বপ্নও দেখিনি। আজ আবারো ওখানে যেয়ে ঘুমিয়ে পড়লেই হলো। আর কোন দুঃস্বপ্ন দেখতে হবে না। কাউচ থেকে একটা কোশন নিয়ে চলে গেলাম বেসমেন্টে। ঘুটঘুটে অন্ধকার ভয়াবহ বেসমেন্টটাই এখন আমার কাছে স্বর্গতুল্য মনে হচ্ছে। আলেসের স্মৃতি স্বরণে ওর সেলে ঢুকে, কুশনে মাথা রেখে আবার ঘুমিয়ে পড়লাম। আমার ভাবনাটা সঠিকই ছিলো। বাকিটা রাত কোন দুঃস্বপ্ন ছাড়াই এক ঘুমে কাটিয়ে দিলাম। বেসমেন্টে চুইয়ে ঢুকা সকেলের স্নিগ্ধ আভায় ঘুম ভাঙলো। ঘুম ভাঙতেই আবারো সেই পুরাতন চিন্তাটা পেয়ে বসলো। মনিকা ঠিক আছে তো। দুড়ধাড় করে সিড়ি ভেঙে উপরে উঠে এলাম। কটেজে ফিরতেই দেখি মনিকা ড্রয়িংরুমে বসে গুনগুনিয়ে গান গাইছে। যাক বাবা, ও ঠিকই আছে তাহলে। আমি এগিয়ে যেয়ে ওকে সুপ্রভাত জানালাম। “গুডমর্নিং হানি। কখন আসলে? কাল সারাটা দিন কোথায় ছিলে? ফোনও ধরনি। আমি তো এদিকে দুশ্চিন্তায় মরি। ”
মনিকা: “ওহ সাঞ্জে ডার্লিং। গির্জা থেকে ফেরার পথে একটা হ্যান্ডসাম ছেলের সাথে দেখা হয়ে গেলো। ওর সাথে সারাদিন ঘুরার পর আমরা একসাথে ডিনার করি। তারপর রাতটা ওর ওখানেই কাটিয়ে দিয়েছি। হিহিহিহিহি! আজ সকালে ও আমায় কটেজের ফটকে গাড়িতে করে নামিয়ে দিয়ে গেছে। ”
আমি ওর নাক টিপে দিয়ে বললাম, “যাহ। ভালোই ডেটিং শিখেছো দেখছি। কিন্তু আমার ফোনটা ধরলে কি এমন দোষ হতো? সারাটি রাত আমায় কতটা টেনশন করিয়েছো তুমি জানো?”
মনিকা: “ওহ ডার্লিং, তুমি যখন অমন শক্তিশালী বলিষ্ঠ কোন ছেলের সাথে ঘুমুতে যাও তখন ফোন রিসিভ করার মতো সামান্য একটা কাজও প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠে। কিন্তু একি! তোমার গলায় ব্যান্ডেজ কেনো? কি হয়ে হয়েছে ওখানে”
আমি: “ও কিছু না। সামান্য কেটে গিয়েছে আর কি।”
ভদকার গন্ধে ওর মুখ মৌ মৌ করছিলো। মদ ছাড়ার পর থেকে আমি আর এর গন্ধ সইতে পারি না। বেশীক্ষণ ওই গন্ধ শুকলে হয়তো পাগল হয়ে ঐ বাজে জিনিসটা আবার খেয়ে ফেলতে পারি। তাই আমি ওকে থামিয়ে দিয়ে বললাম, “আচ্ছা ডার্লিং, বুঝলাম। এখন লক্ষী মেয়ের মতো এখানে বসে অপেক্ষা করো। আমি ব্রেকফাস্ট বানিয়ে আনছি।” আমি ঘুরতেই ও আমার হাত ধরে টেনে কাউচে ওর পাশে বসিয়ে দিলো।
মনিকা: “না না ডার্লিং। ওসব ব্রেকফাস্টে আমার অরুচি ধরে গেছে। আজ তোমায় দিয়েই ব্রেকফাস্ট করবো। ”
আমি: “যাহ দুষ্টু। কি যে বলে না,,,,”
মনিকা ওর লাল টুকটুকে স্কার্টটা টেনে কোমড় অবধি উঠিয়ে দিলো। প্রথমেই চোখ গেলো ওর গুপ্ত ত্রিভুজে। আরে! ও স্কার্টের নিচে কোন প্যান্টি পড়েনি। সবটাই বেরিয়ে রয়েছে। এই মেয়েটার বুঝি লজ্জা শরম বলে কিছু নেই। তারপর চোখ পড়লো ওর মসৃণ উরুতে। সেখানে স্কচ টেপ দিয়ে দুই উরুতে দুটো বিয়ার কেন আটকানো। ও একটা ক্যান খুলে আমায় দিলো আরেকটি নিজে খেতে শুরু করলো। কিন্তু স্কার্ট আর টেনে নামালো না।
আমি: “দেখ ডার্লিং আমি তো মাস খানেক হলো আলকোহল ছেড়ে দিয়েছি। তাই এখন আর এটা খেতে পারছি না। আমি সত্যিই দুঃখিত। ”
মনিকা: ” গতরাতের অসাধারণ অভিজ্ঞতার জন্যে কৃতজ্ঞতা সরূপ ছেলেটা বিয়ার ক্যান দুটো আমায় উপহার দিয়েছে। তুমি যদি একটা না খাও তো খুব কষ্ট পাবো। আজকে অন্তত খেয়ে নাও তারপর থেকে ছেড়ে দিও। প্লীজ।”
আমি: “আচ্ছা বাবা, এই যে খাচ্ছি। ”
ছোট্ট এক ঢুক গিলে নিলাম। বহুদিন পর আলকোহল খেতে পেয়ে দেহটা যেন আরো খাবার জন্যে মোচড় দিয়ে উঠলো। এক নিঃশ্বাসে ক্যানটা সাবাড় করে দিলাম। কিন্তু ক্যান শেষ করতেই একটা অপরাধবোধ আমার মাথায় ঝেকে বসলো। আমি আম্মুর কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম আর কখনো মদ ছোয়েও দেখবো না। কিন্তু আজ সেটা ভেঙ্গে ফেলেছি।আর এই মেয়েটাই বা কি! ঠিক বিশ্বাস হতে চায় না এতো লক্ষী একটা মেয়ে শুধু এক জোড়া বিয়ার ক্যানের জন্যে নিজেকে বিলিয়ে দিলো। ও যা বেতন পায় তাতে প্রতিদিন অমন এক ডজন বিয়ার ক্যান ও নিমিষেই কিনতে পারে। একজন অচেনা পুরুষের কাছে ওর এতটা সহজলভ্য হওয়ার কি দরকার ছিলো তা আমার মাথায় ঢুকলো না। কেন জানি মনে হলো মনিকা নিছক একজোড়া বিয়ার ক্যানের জন্যে দেহ বিলায় নি। ও এই ভয়াবহ কটেজ থেকে একরাতের জন্যে নিষ্কৃতি চাইছিলো মাত্র।
মনিকা: “কি ভাবছো সাঞ্জে? এইটুকু খেয়েই মাথা ধরে আসছে বুঝি? হিহিহিহিহি। ”
মনিকার এহেন প্রশ্নে আমি আবারো বাস্তবে ফিরে এলাম। আবার চোখ পড়লো ওর অনাবৃত ত্রিভুজটার দিকে।
আমি: “কি যে বলো না মনিকা, সাঞ্জে অমন আরো একশোটা ক্যান খেয়েও ঠিকই সারাদিন অফিস করতে পারবে। হিহিহিহিহি।
মনিকা: “এই না হলে আমাদের সিইও ম্যাডাম। দ্য সুপার সেক্সি আনসিংকেবল সাঞ্জে। হিহিহিহিহি। ”
আমি: “হিহিহিহিহি। আচ্ছা মনিকা, তুমি আজ পেন্টি পড়লে না কেনো? ”
মনিকা: “পেন্টি পড়ে কি লাভ ডার্লিং? মেয়েদের যৌনিকে সবসময়ই পুরুষের জন্যে তৈরী রাখাই ভালো।”
আমি: “যাহ দুষ্টু। ”
তারপর মনিকা হঠাৎ ওর ক্যানটা আমার দিকে বাড়িয়ে ধরে বললো, “আমার ক্যান থেকে আরো কয়েক ঢুক গিলে নাও ডার্লিং। তোমায় খুব তৃষ্মার্ত দেখাচ্ছে।”
কিন্তুু ততক্ষণে মায়ের সাথে করা ওয়াদা ভঙ্গের অনুশোচনা আমাকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিলো। আমি দৃঢ় কন্ঠে তা প্রত্যাহার করলাম, “নাহ মনিকা, আমি আর খাবই না।”
মনিকা ক্যানের বাকিটা বিয়ার ওর অনাবৃত যৌনিতে ঢেলে দিয়ে বলল, ” এই নে রে যৌনি। তুই ই খা বাকিটা। আজ তোর জন্যেই কপালে ফ্রি বিয়ার জুটলো। ”
ওর হাস্যকর বাচনভঙ্গি দেখে আমি হুহুহুহুহু করে হেসে উঠলাম।
কিন্তু ও সেটাকে যৌনতার প্রতি গ্রীন সিগনাল ভেবে ভয়ানক ভুল করলো।
ও বলল, “সাঞ্জে ডার্লিং। আমার ওখানটা একটু চুষে দাও না প্লীজ। ”
আমি: “যাহ। কি বলছো এসব। মাথা খারাপ হলো না কি? ”
ও খপ করে আমার চুল মুঠো করে ধরে মাথাটা ওর তলপেটের কাছে টেনে নিয়ে গেলো। তারপর খেকিয়ে উঠে বলল, “চুষবি না কেন বীচ? চেয়ে দেখ কি সুন্দর যৌনি। তোর যৌনিটা আরো হাজারবার দুধ দিয়ে ধুলেও আমারটার মতো এতো সুন্দর হবে না। ”
আমার চুলের উপর প্রচন্ড টান পড়ছে। চরম অনিচ্ছা সত্বেও আমার মুখ ওর যৌনিদেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমার মুখটা ওর যৌনির এতটা কাছে চলে গেছে যে ওর বিদঘুটে গন্ধটা স্পষ্ট টের পাচ্ছি। ওর পিউবিক হেয়ার গুলি সেই অচেনা পুরুষের বীর্যে মাখামাখি হয়ে লেপ্টে আছে। আমার পেট উল্টে বমি আসতে চাইলো। অনেক কষ্টে সেটা থামালাম। তারপর আমি চিৎকার করে প্রতিবাদ জানালাম, “দেখো মনিকা, আমি এঙ্গেইজড। আমি আমার বাগদত্তার প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে চাই। প্লীজ আমার সাথে এমনটা করো না। প্লীজ। ”
ও পাল্টা খেকিয়ে উঠলো, “এঙ্গেইজড তাই না? পুরুষের প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে চাও। কিন্তু কেন? কোন পুরুষই বিশ্বস্ত নয়। ওরা সুযোগ পেলেই অন্য মেয়েকে চেখে নেয়। একটা মামুলি পুরুষের জন্যে তুমি আমায় হতাশ করতে পারো না সাঞ্জে। তোমাকে প্রথম যেদিন দেখেছিলাম সেদিন থেকেই আমি তোমায় মনে প্রাণে চেয়ে আসছি। আজ আমি সে চাওয়া পুরণ করবই।”
আমি সমস্ত শক্তি দিয়ে ওর যৌনি থেকে মাথা সরিয়ে রাখার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু ও কোমড় উঁচু করে ওর যৌনিটা আমার মুখে ঘসে দিলো। সাথে সাথে একগাদা দুর্গন্ধময় আঠালো তরল আমার সারা মুখে লেপ্টে গেলো। ওয়াক ওয়াক। ছিঃ, ,,,,
আমার মাথার ভেতর রাগটা চাড়া দিয়ে উঠলো। কিন্তু এবার আমি সতর্ক। আর মারগারেটকে আমার ক্রোধের সুযোগ নিতে দেবো না। মনিকাকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে আমায় এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ওর উপর রাগ করে নয়। আমি এবার ওকে কাতর কন্ঠে বললাম, “মনিকা প্লীজ। আমার বাগদত্তা মোটেও বিশ্বাসঘাতক নয়। প্লীজ। আমাকে ওর সামনে নীচু করে দিও না। ”
কিন্তু তখনই মনিকার চোখ গেলো আমার ডান হাতে পড়ে থাকা মারগারেটের আংটির দিকে! “ওহ, এটা তোমার সেই বাগদত্তার দেওয়া আংটিটাই? খুল বলছি। ওটা এখন খুলে ফেলো। খুলে ফেলো বলছি। অন্যের এঙ্গেইজমেন্টের আংটি পড়ে আমার সাথে সেক্স করা যাবে না।”
ও সেই আংটিটা টেনে খুলতে লাগলো। আমি হাতটা প্রাণপণে মুঠো করে ধরলাম যেনো ও কিছুতেই আংটিটা খুলতে না পারে। অতপর আমি মরিয়া হয়ে বললাম, “মনিকা, প্লীজ, বিশ্বাস করো আমি সমকামী নই। সমকামী ভালবাসার প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, আমার ব্যাক্তিগত জীবনের জন্যে ওটাকে যথার্থ মনে করি না।”
মনিকা: “সমকামী নও তো কি হলো? আজ থেকে সমকামী হয়ে যাবে। নাও। এবার চোষা শুরু করো।”
আমি: “আমি এটা চুষতে পারবো না। আমার বমি হয়ে যাবে। প্লীজ আমাকে ক্ষমা করো। ”
মনিকা: ” বারে! সেদিন বীচে তুই ঘুমিয়ে পড়লে আমি তোর যৌনিটা চুষে দিয়েছিলাম। তবে আজ কেন তুই আমারটা চুষতে পারবি না? ”
সেদিন বীচ থেকে ফেরার সময় বিকিনি ঢিলা হয়ে যাওয়ার রহস্যটা এখন বুঝতে পারছি। মনিকা আমার ঘুমন্ত দেহের সাথেও যৌনতায় লিপ্ত হয়েছিলো! ঠিক যেমন শয়তান প্রিস্টটা আলেসের মৃতদেহের সাথে সঙ্গম করেছিলো। এই ভাবনাটা আমার মাথায় আগুন ধরিয়ে দিলো। সুযোগসন্ধানী মারগারেটের পরোয়া না করেই আমি আবার ক্রোদ্ধ হয়ে উঠলাম।
রাগে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে আমি খাটি বাংলায় হুঙ্কার দিয়ে উঠলাম, “কি বললি রে মাগি, তুই আমার ঘুমন্ত দেহের সাথে সেক্স করেছিস। তোকে আজ আমি মেরেই ফেলবো।”
ধা করে একটা ঘুষি বসিয়ে দিলাম মনিকার চোয়ালে। প্রথমত ও আমার মুখে ভিনদেশী চিৎকার শুনে হৎচকিয়ে গিয়েছিলো। তার উপর সাঞ্জের দুনিয়া কাঁপানো ঘুষি। ও কাউচের উপর একদম চিৎ হয়ে পড়লো। রাগের মাথায় আমি লাফিয়ে ওর বুকের উপর উঠে বসলাম। আমার অজান্তেই আংটিপরা হাতটা মনিকার গলা চেপে ধরেছে। মনিকা বাধা দেওয়ার সুযোগই পেলো না। ওর গলা দিয়ে গড়গড় শব্দ বেরুতে শুরু করলো। অনুভব করলাম আমার নিচে পড়ে থাকা ওর দেহে কাঁপুনি শুরু হয়ে গেছে। আমি ডান হাতটা কিছুতেই ওর গলা থেকে সরাতে পারছি না। বা হাত দিয়ে ডান হাতটাকে ছাড়িয়ে আনতে চাইলাম। কিন্তু ওটা প্রচন্ড জোরে মনিকার গলা আকড়ে আছে। আমি কিছুই করতে পারলাম না। মনিকাও তার হাত দুটো দিয়ে আমার ডান হাতটা ছাড়ানোর সর্বউচ্চ চেষ্টা চালালো। কিন্তু আমাদের তিন তিনটে হাতকে উপেক্ষা করে ডান হাতটা তার কাজ চালিয়ে গেলো। আমি আর মনিকার দিকে তাকাতে পারছিলাম না। মৃত্যুযন্ত্রণায় ওর চোখ দুটো যেন ঠিকরে বেরিয়ে আসতে চাইছে। মনিকা অনিচ্ছাকৃতভাবে ছড়ছড় শব্দে প্রস্রাব করে দিলো। অবশেষে একসময় ওর দেহটা কাঁপুনি থামিয়ে একদম স্থির হয়ে গেলো। বুঝলাম ও আর এই পৃথিবীতে নেই।
(চলবে)

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.